Ebongpurer Tiktiki - Indranil Chattopadhyay
বিশ্বাসে বস্তু মিলায় কি না বলা মুস্কিল, তবে তর্কে যে গন্তব্যের দূরত্ব বাড়ে এটা একেবারে নিশ্চিত। নইলে এবংপুর পৌঁছোনো এত মুশকিল হবে কেন! বিষ্ময় আর তা ঘিরে প্রশ্নে প্রশ্নে জেরবার করে যে বয়সটা আমাদের তার্কিক সত্তার বিকাশ ঘটায়, জীবনের সেই সময় পর্বটাও এখন আমাদের চোখের সামনে দিয়েই স্মার্টফোনের চার-চৌকো স্ক্রিন দিয়ে সপাটে পৌঁছে যায় কৃত্রিম বাস্তবতার কাল্পনিক দুনিয়ায়। এ তো তাবৎ দুনিয়ার আলবাৎ জানা কথা। কিন্তু পাতি কাগজে ছাপা কালো কালির অক্ষর দাগ বেয়েও কি পৌঁছোনো যায় না স্বপ্নে শোনা নামের কোনো জায়গায়? কিংবা, আমাদের ঘরের ইতিউতি বিনা ভাড়ায় দিব্যি বাস করে যে পিপিরি থুড়ি পিঁপড়ে, আরশোলা, ইঁদুর আর টিকটিকিগুলো তারা কি নিতান্তই ঘাপটি মেরে কাটিয়ে দেয় জীবনটা, নাকি বড়োসড়ো কোনো ষড়যন্ত্র ফাঁদতেও জুড়ি নেই তাদের? এবংপুরের টিকটিকি-তে এমনই সব বহুবিধ এবং অত্যন্ত জরুরি বিষয় নিয়ে বিষদে আলোচনা করেছেন ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়, যা পড়তে পড়তে ট্রেন থেকে বাস আর সেখান থেকে নেমে হেঁটে যেতে যেতে হারিয়ে যেতে পারে চশমার প্লাস পাওয়ার আর মাথার সাদা চুলগুলো।
১৯৫২ সালে প্রথমবার ধারাবাহিক রচনা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়ের এই লেখাটা। তারপরে একাধিকবার প্রকাশনা সংস্থা বদলে বদলে পাঠকের সামনে আসে এবংপুরের টিকটিকি, আর থেকে-থেকেই কীভাবে যেন এবংপুরেই চলে যায় আবার। ২০১৩ সালের চর্চাপদ সংস্করণের পর, নতুন প্রচ্ছদ নিয়ে আবারও তৈরি হল এবংপুরের টিকটিকি, এবার তৃতীয় পরিসর থেকে। সঙ্গত কারণেই জুড়ে রাখা হল অজয় গুপ্ত-র লেখা চর্চাপদ সংস্করণের ভূমিকা অংশও।
এবংপুরের টিকটিকি
লেখক : ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়প্রকাশনা : তৃতীয় পরিসর
ধারা : উপন্যাস
বাধাই : হার্ডকভার
















